রোজায় হৃদ্‌রোগীদের করণীয়

দেবীগঞ্জ সংবাদ ডেস্ক
আপডেটঃ ২২ এপ্রিল, ২০২২ | ১১:৩৫ 93 ভিউ
দেবীগঞ্জ সংবাদ ডেস্ক
আপডেটঃ ২২ এপ্রিল, ২০২২ | ১১:৩৫ 93 ভিউ
Link Copied!

রোজার সময় মানুষের খাদ্যাভ্যাস, ব্যায়ম, ওষুধ গ্রহণের সময়সূচি, ঘুমের সময় ও পরিমাণ পরিবর্তিত হয়। একজন সুস্থ স্বাভাবিক পূর্ণবয়স্ক মানুষ যেভাবে এই পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারেন, তা একজন অসুস্থ মানুষ বা হৃদ্‌রোগীর পক্ষে সম্ভব হয়ে ওঠে না। তাই তাঁদের চাই সতর্কতা।

হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত রোগীদের অনেকের ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, অ্যাজমা ইত্যাদিও থাকে। তাই রোজার সময় খাদ্যাভ্যাস ও ওষুধপথ্য নতুন করে সময়োপযোগী করে নিতে হয়।

 

রণীয়

  • যেসব হৃদ্‌রোগীর হার্টের পাম্পিং ক্ষমতা স্বাভাবিক, তাঁরা অন্য সবার মতো রোজা রাখতে পারবেন।
  • হৃদ্‌রোগীদের বেশির ভাগ ওষুধ দিনে একবার বা দুবার খেলেই হয়। যেসব ওষুধ দিনে একবার খেলে চলে, রোজার সময় সেগুলো রাতের খাবারের সময় নিলেই চলবে।
  • যেসব ওষুধ দিনে দুবার খেতে হবে, সেগুলো ইফতার ও সাহ্‌রির সময় খেলে চলবে। খেয়াল রাখতে হবে যেন দুই ডোজের মধ্যবর্তী সময়টি সংক্ষিপ্ত না হয়। বিশেষ করে রক্তচাপের ওষুধ পর্যাপ্ত ফারাক দিয়ে সেবন করতে হবে। রোজার সময় খাদ্য ও পানির পরিমাণ কমে যাওয়ায় রক্তচাপ কমে যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শে মাত্রা কমানো যেতে পারে।
  • হৃদ্‌রোগের কিছু কিছু ওষুধ (যেমন Nitrate) সকালে ও বিকেলে খেতে হয়, রোজায় সেগুলো সাহ্‌রি ও ইফতারের সময় সমন্বয় করা যায়। কিছু ওষুধ দিনে তিনবার নিতে হয়, সেগুলো স্লো রিলিজ ফর্মে দিনে একবার বা দুইবারে খাওয়া যায়।
  • হৃদ্‌রোগীদের মধ্যে যাঁদের ডায়াবেটিস আছে, তাঁদের বিশেষ সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। দিনের দীর্ঘ সময় খাদ্য ও পানীয় গ্রহণ না করায় রক্তে সুগারের পরিমাণ মারাত্মকভাবে কমে যেতে পারে। হঠাৎ জ্ঞান হারিয়ে ফেললে বা মাথা ঝিমঝিম করলে, বুক ধড়ফড় করে প্রচুর ঘাম দিলে সুগারের মাত্রা কমে যেতে পারে বলে সন্দেহ করতে হবে এবং তত্ক্ষণাৎ সুগার পরীক্ষা করা সম্ভব হলে করতে হবে। ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞের সঙ্গে পরামর্শ করে ওষুধ ও ইনসুলিনের মাত্রা ঠিক করতে হবে।
  • রোজার সময় যেসব ওষুধ দ্রুত রক্তের সুগার কমায় তা এড়িয়ে চলা উত্তম। ইনসুলিনের ব্যাপারে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

 

খাবারদাবার


  • তৈলাক্ত, ভাজাপোড়া খাদ্য (যেমন পেঁয়াজু, বেগুনি, কাবাব, পরোটা, হালিম ইত্যাদি) এড়িয়ে চলা উচিত।
  • ভেজানো চিড়া, কাঁচা ছোলা বা তেলমুক্ত সেদ্ধ ছোলা, খেজুর, কলা, দই এসব দিয়ে ইফতার করা যেতে পারে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি, লেবুর শরবত, রসাল ফল, ডাবের পানি, কমলার রস ইত্যাদি শরীরের জন্য ভালো।
  • ইফতার পরিমিত পরিমাণে হতে হবে। হঠাৎ অতিরিক্ত ইফতার করলে হিতে বিপরীত হতে পারে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি বা পানীয় গ্রহণ করতে হবে, যাতে দিনের পানিশূন্যতা

 

ডা. মাহবুবর রহমান, সিনিয়র কার্ডিওলজিস্ট ও সিসিইউ ইনচার্জ, ল্যাবএইড কার্ডিয়াক হাসপাতাল, ধানমন্ডি, ঢাকা

ট্যাগ:

শীর্ষ সংবাদ:
নৌকাডুবির শোক কাটিয়ে দূর্গা পূজার প্রস্তুতি সম্পন্ন ইউক্রেনের চার অঞ্চলকে রাশিয়ার অন্তর্ভূক্ত করার ঘোষণা দিল পুতিন বাবার লাশের অপেক্ষায় ৩ বছরের দিপু প্রতিমা বিসর্জনের আগেই ৭১ সনাতনীর দেহ ভাসলো করতোয়ায়  নৌকাডুবির ঘটনায় আজ মিলেনি একটিও মরদেহ মহামান্য রাষ্ট্রপতির সাথে আইজিপির বিদায়ী সাক্ষাৎ নতুন সেতু হতে যাচ্ছে আউলিয়া ঘাটে তেঁতুলিয়ায় সড়ক আইনে ৪ ব্যক্তিকে জরিমানা নৌকাডুবির ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের মাঝে সরকারি সহায়তা প্রদান করতোয়ায় নৌকাডুবির ঘটনায়, নিহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন আমিরে জামায়াত নৌকাডুবিতে নিহতদের পরিবারকে রেলমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তা পঞ্চগড়ে নৌকাডুবির ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেন জাসদ সাধারণ সম্পাদক এক মাস পর উদ্ধার হলো নিখোঁজ কিশোরের খণ্ডিত লাশ দেবীগঞ্জে আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত করতোয়ায় নৌকাডুবির ঘটনায় তদন্ত কমিটির সময় বৃদ্ধি নৌকাডুবিতে বাবা-মা সহ পরিবারের ৬ জনকে হারিয়ে নি:স্ব দুই ভাই পঞ্চগড়ে নৌকাডুবির ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬৫, নিখোঁজ অন্তত ১০ জন দেবীগঞ্জে ফারিহার প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত করতোয়ার নৌকাডুবি, নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫০ পঞ্চগড়ে নৌকাডুবির ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন রেলপথ মন্ত্রী ও ধর্ম প্রতিমন্ত্রী